দাড়ি বড় করে কাটা ত্বকের জন্য কি ভালো?
ক্লিন শেভ করা সবার জন্য উপযুক্ত নয়। আর ঘন ঘন ক্লিন শেভ না করাই ভালো? বিশেষ করে যাদের রেজার ব্যবহার করতে অসুবিধা হয় কিংবা ত্বকে ফুসকড়ি ব্রণ হয়, তাদের ঘন ঘন শেভ না করাই ভালো। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেকের ত্বক অত্যধিক সংবেদনশীল হয়। একবার রেজার দিয়ে শেভ করলেও ত্বক লালচে হয়ে পড়ে, র্যাশ বেরোয় কিংবা ব্রণ হয়। আর নিয়মিত ব্রণ বেরোলে ত্বকে দাগ পড়ে যায়। তা আরও অস্বস্তিকর। সেই বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। আপনার নিজের ত্বকের ধরন অনুসারে সিদ্ধান্ত নিন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এদিকে এর মধ্যে দাড়ি-গোঁফ কেটে ক্লিন শেভড হওয়ার পরেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনায় এসেছেন বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহাম। এমনিতেই তার অভিনয় গুণের সঙ্গেই লুক এবং পেশিবহুল চেহারা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। যেভাবে এই সুঠাম চেহারা ধরে রাখেন তিনি, তা নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। সে যাই হোক, দীর্ঘদিন দাড়ি-গোঁফ রাখার পর ক্লিন শেভড করেছেন এ অভিনেতা। কিন্তু কেন?
ক্লিন শেভ করা মানেই আপনার লুক বদলে ফেলা নয়। এটি ত্বকের যত্নের জন্যও বেশ উপকারী। ক্রিম লাগিয়ে রেজার দিয়ে ক্লিন শেভ করলে দাড়ির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার হয়ে যায়। ব্যাকটেরিয়া ও ময়লা ধুয়ে যায়। ত্বক এক্সফোলিয়েট করা যায়। ফলে তা ভেতর থেকে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শেভ করার পর মুখ ভালো করে পরিষ্কার করা যায়। এরপর ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করলে তা সরাসরি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাড়ি লুক দেখতে ভালো লাগলেও দাড়ির নিচে ত্বক ঠিকমতো যত্ন পায় না। তা ছাড়া দাড়ি রাখলেও অনেকেই তার নিয়মিত যত্ন নেওয়ার বিষয়ে উদাসীন। চুলের মতোই দাড়িরও নিয়মিত পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। তা না হলে দাড়ির নিচের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। দাড়িতে খুশকিও হতে পারে। হতে পারে আরও নানা ত্বকের সমস্যা। সেদিক থেকে মাঝে মাঝে ক্লিন শেভ করা ভালো।
যে কোনো প্রসাধনী ত্বকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাড়ি বাধার মতো কাজ করে। প্রসাধনী ত্বকে পৌঁছানোর বদলে এর উপরি স্তরে থেকে যায়। ক্লিন শেভ করলে আর সেই বাধা থাকে না। দাড়িমুক্ত ত্বকে ময়শ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন লাগালে তা ত্বকের গভীরে পৌঁছে ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্ট করে তুলতে পারে। বিশেষ করে সানস্ক্রিন যদি ত্বকে সঠিকভাবে না পৌঁছায় তাহলে টান পড়তে পারে। অকালে বুড়িয়ে যায় ত্বক।